Home বান্দরবান ভোট দিতে পাড়ি দিতে হবে ২০ কিলোমিটার পাহাড়ি পথ, ভোট প্রয়োগ কতটা বাস্তব? প্রশাসন কী করছে সমস্যার সমাধানে?

ভোট দিতে পাড়ি দিতে হবে ২০ কিলোমিটার পাহাড়ি পথ, ভোট প্রয়োগ কতটা বাস্তব? প্রশাসন কী করছে সমস্যার সমাধানে?

পাহাড় সমুদ্র ডট কম সংবাদদাতা

প্রকাশ : ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৫৭

Share

দুর্গম পাহাড়ের বিভিন্ন কেন্দ্রে হেলিকপ্টারে পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম

বাংলাদেশের সর্বশেষ সংসদীয় আসন ৩০০ নম্বর পার্বত্য জেলা বান্দরবান। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর হলেও পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় ভোট প্রয়োগ এখনো অনেক ভোটারের জন্য চ্যালেঞ্জ। জেলার সাতটি উপজেলা, দুইটি পৌরসভা ও ৩৪টি ইউনিয়নের মোট ৩ লাখ ১৫ হাজার ৪৪২ ভোটারের মধ্যে অনেককে ভোট কেন্দ্রে পৌঁছাতে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়।

জেলার ১৮৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৫৮টি ঝুঁকিপূর্ণ। এর মধ্যে ১১টি এতদূর্গম যে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও ব্যালট সরঞ্জাম পাঠাতে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে ভোট দিতে ভোটারদের পাড়ি দিতে হয় ২০ কিলোমিটার পাহাড়ি উঁচু-নিচু পথ। রুমা উপজেলার কাপ্রু পাড়ার সংচাং ম্রো জানান, ভোট দিতে তাদের হেঁটে যেতে হয় প্রায় ২০ কিলোমিটার; গাড়ি হলে জেলা শহর হয়ে প্রায় ৯০ কিলোমিটার। লামা উপজেলার মংহ্লাপাড়ার লিংপাত ম্রো বলেন, ভোট দিতে অন্তত ৮ কিলোমিটার হেঁটে যেতে হয়।

অনেক কেন্দ্রের কাছে সড়ক যোগাযোগ নেই, বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক সীমিত। ভোটের দিন যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় পথের দূরত্ব আরও বাড়ে। জেলার দুর্গম কেন্দ্রগুলো—থানচি, রুমা ও রোয়াংছড়ি—ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল আলম বলেন, হেলিকপ্টার ব্যবহারের ফলে হেলিস্টি কেন্দ্রগুলোতে ভোট প্রয়োগ সম্ভব হচ্ছে। জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি জানান, দুর্গম কেন্দ্রে ভোটারদের যাতায়াত সমস্যা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা চলছে। সীমিত পরিসরে যানবাহন ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে কি না, সেটি নির্ধারণ করা হবে।

বান্দরবানবাসীর ভোট প্রয়োগের চ্যালেঞ্জ কেবল দূরত্ব নয়; নিরাপত্তা, অবকাঠামো সীমাবদ্ধতা ও আঞ্চলিক দলের সশস্ত্র তৎপরতাও গুরুত্বপূর্ণ।

সর্বশেষ :

আরও পড়ুন: