নির্বাচনের আবহে পাহাড়ি জেলা বান্দরবানে উন্নয়ন, শান্তি ও সহাবস্থানের বার্তা সামনে রেখে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ১১ দলীয় জোট। সমৃদ্ধ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিনির্ভর এবং গণমুখী উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিকে সামনে রেখে বান্দরবান গড়ার অঙ্গীকার শোনা গেল ইশতেহারে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে বান্দরবান প্রেস ক্লাবের হলরুমে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে বান্দরবান আসনে এনসিপি ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আবু সাঈদ মো. সুজাউদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেন।
ইশতেহারে শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন, পর্যটন বিকাশ, আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ এবং পরিবেশ সুরক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রযুক্তিগত সুবিধা সম্প্রসারণ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা, বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
পাহাড়ি জনপদের দীর্ঘদিনের পানির সংকট নিরসন এবং পর্যায়ক্রমে বান্দরবানকে একটি মেট্রোপলিটন সিটিতে রূপান্তরের আশাবাদও উঠে আসে ইশতেহারে—যা উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা হিসেবে তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আবু সাঈদ মো. সুজাউদ্দিন বলেন,
“আশা করি, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বান্দরবানের মানুষ এনসিপি ও ১১ দলীয় জোটকে বিপুল ভোটে জয়ী করবে। নির্বাচিত হলে আমরা এলাকার উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করব।”
ইশতেহার ঘোষণার এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির বান্দরবান জেলা আহ্বায়ক মংসা প্রু চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক মে শৈ প্রু মারমা শার্লী, যুগ্ম সমন্বয়কারী এএসএম সায়েম এবং যুগ্ম সদস্য সচিব লুক চাকমা।
নির্বাচনের দৌড়ে যখন প্রতিশ্রুতির ভিড়, তখন শান্তি, সহাবস্থান ও পাহাড়ি বৈচিত্র্য রক্ষার ভাষা কতটা প্রভাব ফেলবে—সেই দিকেই এখন নজর বান্দরবানের ভোটারদের।


