Home খাগড়াছড়ি বসতবাড়ি থেকে গুদাম, একের পর এক হানা — খাগড়াছড়িতে উদ্ধার হাজার লিটার মজুত তেল!

বসতবাড়ি থেকে গুদাম, একের পর এক হানা — খাগড়াছড়িতে উদ্ধার হাজার লিটার মজুত তেল!

জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মুনাফা লোটার চেষ্টা এবার কড়া জবাব পেল খাগড়াছড়িতে। শনিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পৌর শহরের একাধিক এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে উদ্ধার হলো মজুত করা মোট ১ হাজার ১৮ লিটার অকটেন ও ডিজেল।

পাহাড় সমুদ্র ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ মার্চ ২০২৬, ১২:৩২

Share

জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মুনাফা লোটার চেষ্টা এবার কড়া জবাব পেল খাগড়াছড়িতে। শনিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পৌর শহরের একাধিক এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে উদ্ধার হলো মজুত করা মোট ১ হাজার ১৮ লিটার অকটেন ও ডিজেল।

অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপক কুমার শীল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে হানা দেওয়া হয় শিশু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এক বসতবাড়িতে। উদ্ধার হলো ১৮ লিটার মজুত ডিজেল।

অভিযুক্ত ব্যক্তি অবৈধ মজুতের দায় স্বীকার করলে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ অনুযায়ী গুনতে হলো ৭ হাজার টাকা জরিমানা।

এরপর পৌর বাস টার্মিনাল এলাকায় মেসার্স বক্কর ট্রেডার্সে হানা দিতেই বেরিয়ে পড়ল ৪০০ লিটার অকটেন ও ২০০ লিটার ডিজেল। সেখানেই থামেনি অভিযান।

মহাজনপাড়ায় মেসার্স আলম এন্টারপ্রাইজে গিয়ে উদ্ধার হলো আরও ৪০০ লিটার অকটেন। জব্দ করা সেই তেল ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতেই ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হলো সাধারণ ভোক্তাদের কাছে। আর অনিক ট্রেডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ পাওয়ায় সেটিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হলো তালা।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপক কুমার শীল স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, অবৈধ মজুত ও বাজারে অস্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান চলবেই। একই দিন সড়ক পরিবহন আইনেও পৃথক অভিযানে তিনটি মামলায় অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অভিযানে সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাজমীন আক্তারসহ পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।

সর্বশেষ :

আরও পড়ুন: