Home রাঙামাটি খাল খননে দূর হবে জলাবদ্ধতা, প্রত্যাশা রাঙামাটিবাসীর

খাল খননে দূর হবে জলাবদ্ধতা, প্রত্যাশা রাঙামাটিবাসীর

বর্ষা মৌসুমে পার্বত্য জনপদ রাঙামাটির অন্যতম সমস্যা জলাবদ্ধতা। শহরের নালা-খাল পলি ও আবর্জনায় ভরাট হওয়ায় তলিয়ে যায় বসতবাড়ি ও ফসলের খেত। তবে প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচির আওতায় নিরসন হচ্ছে সেই ভোগান্তির।

পাহাড় সমুদ্র ডেস্ক

প্রকাশ : ২ মে ২০২৬, ০১:৫৪

Share

বর্ষা মৌসুমে পার্বত্য জনপদ রাঙামাটির অন্যতম সমস্যা জলাবদ্ধতা। শহরের নালা-খাল পলি ও আবর্জনায় ভরাট হওয়ায় তলিয়ে যায় বসতবাড়ি ও ফসলের খেত। তবে প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচির আওতায় নিরসন হচ্ছে সেই ভোগান্তির।

এলাকাবাসীর অংশগ্রহণে সদর উপজেলার মোট ৪০ কিলোমিটার খাল খনন শুরু হয়েছে। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ কোটি টাকা।

রাঙামাটি সদরের বন্দুক ভাঙা, সাপছড়ি, কুতুকছড়ি ও বগাছড়ি ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ খালগুলো পুনঃখননে নেমেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কেউ মাটি কাটছেন। কেউ ঝুড়ি ভরে সরিয়ে নিচ্ছেন বছরের পর বছর ধরে জমা খালের পলি। প্রতিদিন ভোরে কোদাল আর ঝুড়ি নিয়ে খাল খননে যোগ দিচ্ছেন শত শত নারী-পুরুষ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশজুড়ে খাল খনন কর্মসূচির আওতায় চলছে এই কর্মযজ্ঞ।।

খাল খননে অংশ নেওয়া স্থানীয় এক যুবক বলেন, ‘খাল খননের পর আর আমরা বন্যা কবলিত হব না। এমনকি আমরা ভালোভাবে চলাফেরা করতে পারব।’

প্রকল্পের অধীনে খাল খননে অংশ নেওয়া শ্রমজীবীরা দৈনিক ৫০০ টাকা করে মজুরি পাচ্ছেন। আর কাজের তদারকি করছে ইউনিয়ন পরিষদ। প্রান্তিক পর্যায়ে সরাসরি কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন হওয়ায় খুশি পাহাড়ের মানুষ।

খাল খনন কর্মসূচির দায়িত্বে নিয়োজিত স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, এখানে শ্রমিকরা প্রতিদিন সকাল-বিকেল কাজ করছে। ৫০০ টাকা করে পাবে ওরা।

‘এই খাল খনন কর্মসূচি যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে অত্র এলাকার জনগণ বিভিন্ন দুর্ভোগ থেকে মুক্ত হবে,’ এমনটাই আশা স্থানীয় আরেক বাসিন্দার।

সরকারের এই কর্মসূচি এলাকার জলাবদ্ধতা দূর করার পাশাপাশি জেলার কৃষি ও জনজীবনে আমূল পরিবর্তন আনবে, বললেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের অঙ্গীকার হিসেবে আমরা এটা পূরণ করব…যেখানে যেগুলো প্রয়োজন…আমরা সেভাবে স্টেপ নেব।’

খাল খনন কার্যক্রমে পানি প্রবাহ নিশ্চিতের পাশাপাশি পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্যও রক্ষা হবে, এমনটাই আশা স্থানীয়দের।

সর্বশেষ :

আরও পড়ুন: