দৃষ্টিশক্তিহীন হওয়া সত্ত্বেও ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন শিরাজ আহমদ (৬৭)। তিনি খাগড়াছড়ি শহরের ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা।
বৃহস্পতিবার(১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট প্রদান করেন। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি তার গণতান্ত্রিক অধিকার পালনে।
ভোট দিতে পেরে সন্তোষ ও আনন্দ প্রকাশ করে শিরাজ আহমদ বলেন, নাগরিক হিসেবে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে তিনি গর্বিত। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে এসেছেন তিনি।
খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রিসাইডিং অফিসার মো. মজিবুর রহমান খান বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ভোটারদেরকে তাদের পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক একজন ভোট দিতে সহযোগিতা করছেন।
খাগড়াছড়িতে সকাল সাড়ে সাতটা থেকে ২০৩টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৪, হাজার ১১৪ জন। এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১১ জন প্রার্থী। এতে বিএনপি ধানের শীষের প্রতীকে ওয়াদুদ ভূঁইয়া খাগড়াছড়ি সরকারি হাই স্কুল কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৯টায় ভোট প্রদান করেন। ১১ দলীয় জোটের এর জামাতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীক অ্যাডভোকেট ইয়াকুব আলী চৌধুরী মাটিরাঙ্গা তাইন্দং স্কুলে ভোট প্রদান করেন।
১১ জনের মধ্যে মধ্যে ৩ জনই স্বতন্ত্র প্রার্থী। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে সমীরণ দেওয়ান ফুটবল প্রতীক খাগড়াছড়ি সদরের খবংপুরিয়া এলাকায় স্কুলে ভোট প্রদান করেন। ধর্মজোতি চাকমা ঘোড়া প্রতীকে দীঘিনালায় স্থানীয় একটি ভোটকেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি সাদেক কায়েম তার নিজ এলাকা খাগড়াছড়ি বাজার শিশু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট প্রদান করেন।
জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত জানান, খাগড়াছড়ির ২০৩টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ চলছে। ২ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও ১ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছে। সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়োজিত আছে।


