Home খাগড়াছড়ি গ্রীষ্মের খরতাপে পাহাড়ে ফুটেছে দুর্লভ লাল সোনাইল, মুগ্ধ পথচারীরা

গ্রীষ্মের খরতাপে পাহাড়ে ফুটেছে দুর্লভ লাল সোনাইল, মুগ্ধ পথচারীরা

খাগড়াছড়ির পথে পথে এখন গোলাপি-লাল রঙের এক অপরূপ সমারোহ। কৃষ্ণচূড়া আর জারুলের ভিড়ে এবার নজর কাড়ছে দুর্লভ এক ফুল— লাল সোনাইল। বৈজ্ঞানিক নাম ক্যাসিয়া জাভানিকা। সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে ফুটে থাকা গোলাপি ও গাঢ় লাল রঙের এই ফুল দেখে পথচারীরা থমকে দাঁড়াচ্ছেন, ক্যামেরা তুলছেন।

পাহাড় সমুদ্র ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৯

Share

খাগড়াছড়ির পথে পথে এখন গোলাপি-লাল রঙের এক অপরূপ সমারোহ। কৃষ্ণচূড়া আর জারুলের ভিড়ে এবার নজর কাড়ছে দুর্লভ এক ফুল— লাল সোনাইল। বৈজ্ঞানিক নাম ক্যাসিয়া জাভানিকা। সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে ফুটে থাকা গোলাপি ও গাঢ় লাল রঙের এই ফুল দেখে পথচারীরা থমকে দাঁড়াচ্ছেন, ক্যামেরা তুলছেন।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আদি এই উদ্ভিদ বাংলাদেশে বিরল। তবে খাগড়াছড়ি সদরের ধর্মপুর আর্য্য বনবিহার, অপরাজিতা বৌদ্ধবিহার সংলগ্ন এলাকা, মহিলা কলেজ সড়ক, বটতলী সড়ক, নিউজিল্যান্ড এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে এখন এই গাছ ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে। এপ্রিলের মাঝামাঝিতে ফোটা এই ফুল এখন পাহাড়ি শহরে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে।

এই ফুল ছড়িয়ে দেওয়ার পেছনে একজনের নাম বারবার উঠে আসছে— রাঙামাটি সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা। চার বছর আগে খাগড়াছড়িতে কর্মরত থাকার সময় তিনি শহরের নানা প্রান্তে ক্যাসিয়া জাভানিকার চারা রোপণ করেছিলেন। সেই চারাগুলোই আজ ছাতার মতো ডালপালা মেলে ফুলে ভরে উঠেছে। তিনি বলেন, ফুলের রং গোলাপি হওয়ায় দূর থেকেই মানুষের নজর কেড়ে নেয়। সারা দিন রোদ পাওয়া যায় এমন জায়গায় লাগালে ভালো ফুল পাওয়া যায়।

ঠাকুরছড়া এলাকার প্রজ্জ্বল রোয়াজাও তিন বছর আগে ঢাকা থেকে চারা এনে স্থানীয় পাঠাগার ও শিবমন্দির প্রাঙ্গণে লাগিয়েছিলেন। প্রতিবছর ফুল ফোটা দেখে তাঁর মনে হয় গাছ লাগানোর সিদ্ধান্তটি সার্থক হয়েছে।

জিরোমাইলে ফুল দেখতে আসা সুচরিতা ত্রিপুরা ও আরাফাত ইসলাম বলেন, গাছের নিচে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে সব ক্লান্তি যেন দূর হয়ে যায়।

সৌন্দর্যের পাশাপাশি এই গাছের রয়েছে নানা গুণ। ভেষজ উপকারিতা ছাড়াও এর ছাল ব্যবহার হয় ট্যানারি শিল্পে। প্রকৃতিবিষয়ক লেখক মোকারম হোসেন বলেন, ফুল ও পাতার নান্দনিকতার পাশাপাশি নানা গুণে ভরপুর এই দুর্লভ উদ্ভিদ সবার মন জয় করছে।

খাগড়াছড়ি হর্টিকালচার সেন্টারের উপসহকারী উদ্যান কর্মকর্তা সুজন চাকমা জানান, বাসাবাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের সামনে এই গাছ লাগালে সৌন্দর্য কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

সর্বশেষ :

আরও পড়ুন: