রাঙামাটিতে দ্বিতীয় দফায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন হয়েছে। রোববার সকালে সদর উপজেলার সাপছড়ি ইউনিয়নের বোধিপুর এলাকা এবং নানিয়ারচর উপজেলার কুতুকছড়ি ও বগাছড়ি এলাকায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
৪০ দিনব্যাপী এই কর্মসূচির আওতায় দুটি ইউনিয়নে প্রায় ১২ কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। কাজে অংশ নিচ্ছেন ৭১৬ জন স্থানীয় শ্রমিক।
উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, দীর্ঘদিন খাল খনন বন্ধ থাকায় অনেক খাল ভরাট হয়ে গেছে। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট দেখা দেয়, বর্ষায় ফসলি জমি ও বসতবাড়ি প্লাবিত হয়। এতে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্যও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
খনন কাজে অংশ নেওয়া রূপান্তর চাকমা বলেন, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়। খাল পুনঃখনন হলে বন্যার ঝুঁকি কমবে, ফসলি জমি রক্ষা পাবে এবং খরা মৌসুমেও চাষাবাদে পানি পাওয়া যাবে।
রাঙামাটি সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রিয়াদুল ইসলাম জানান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির মাধ্যমে সাপছড়ি, কুতুকছড়ি, বন্দুকভাঙ্গা ও বালুখালী ইউনিয়নে মোট প্রায় ৩৩ কিলোমিটার খাল পুনঃখননে ৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।


