বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদরদপ্তর ঢাকার পিলখানায় ১৭ বছর আগে ঘটে যাওয়া বিদ্রোহে নিহত সেনা সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।
বুধবার সকাল ১০টার পর রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
ফুল দেওয়ার পর এক মিনিট নীরবতা পালন করেন তারা এবং সামরিক বাহিনীর সদস্যরা স্যালুট জানান। পরে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বুধবার রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বুধবার রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন এবং তিন বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
পিলখানায় নিহত সেনাকর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্য এবং নিকট আত্মীয়রাও ছিলেন বনানীর সামরিক কবরস্থানে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুধবার রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুধবার রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদরদপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোড়ন তোলে ওই ঘটনা।
সেই বিদ্রোহের পর সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিডিআরের নাম বদলে যায়, পরিবর্তন আসে পোশাকেও। এ বাহিনীর নাম এখন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি।
গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গতবছর বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভীষিকাময় ও শোকাবহ এ দিনটি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।


