Home কক্সবাজার মা-মেয়েকে থানায় মারধর, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেল: পেকুয়া থানার ওসিকে আদালতে তলব

মা-মেয়েকে থানায় মারধর, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেল: পেকুয়া থানার ওসিকে আদালতে তলব

কক্সবাজারের পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলমকে আদালতে তলব করা হয়েছে। আদালতের আদেশে ১৬ মার্চের মধ্যে তিনি সশরীরে হাজির হয়ে ঘটনার ব্যাখ্যা দেবেন।

পাহাড় সমুদ্র ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৪

Share

কক্সবাজারের পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলমকে আদালতে তলব করা হয়েছে। আদালতের আদেশে ১৬ মার্চের মধ্যে তিনি সশরীরে হাজির হয়ে ঘটনার ব্যাখ্যা দেবেন। আদালত ওসিকে লিখিত ব্যাখ্যা, ঘটনার দিনের জিডি, মামলা নথি, আটক সংক্রান্ত কাগজপত্র, ডিউটি রোস্টার এবং সিসিটিভি ফুটেজের সত্যায়িত অনুলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

ভুক্তভোগী রেহেনা মোস্তফা রানু ও তার মেয়ে জুবাইদা বেগম অভিযোগ করেছেন, ২০১৩ সালে জুবাইদার বাবার মৃত্যুর পর তারা পৈতৃক সম্পত্তির অধিকার আদায়ের জন্য আদালতে মামলা করেন। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পেকুয়া থানাকে দেওয়া হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই পল্লব কুমার ঘোষ ২৫ হাজার টাকা দাবি করেন এবং ২০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। টাকা নেওয়ার পরও জুবাইদার বিপরীতে প্রতিবেদন জমা দিলে মা-মেয়ে টাকা ফেরত চায়।

এরপর গত ৪ মার্চ পুলিশ তাদের থানায় ডেকে প্রচণ্ড মারধর করে। জখম অবস্থায় তাদের সামনে হাজির করা হয় পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুবুল আলমকে। ভুক্তভোগীরা জানান, তারা ইউএনওর কাছে সাহায্য চেয়েও উল্টো ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়ে জেলে পাঠানো হয়।

পরবর্তীতে এই সাজা চ্যালেঞ্জ করলে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহিদুল আলম ৭ মার্চ মা-মেয়েকে বেকসুর খালাস দেন। কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তারা চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন এবং পুলিশের নির্যাতনের চিহ্ন সাংবাদিকদের দেখান।

ভুক্তভোগীদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজবাহ উদ্দীন বলেন, “একজন বিচারপ্রার্থী নারী ও তার সন্তানের ওপর এমন বর্বরতা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার আইন ও ন্যায়ের পরিপন্থি। আদালতের স্বপ্রণোদিত তলব ন্যায়বিচারের পথ সুগম করেছে।

সর্বশেষ :

আরও পড়ুন: