Home রাঙামাটি পর্যটক বরণে প্রস্তুত পাহাড়-হ্রদের শহর রাঙ্গামাটি, বুকিং প্রায় ৭০ শতাংশ

পর্যটক বরণে প্রস্তুত পাহাড়-হ্রদের শহর রাঙ্গামাটি, বুকিং প্রায় ৭০ শতাংশ

রাঙ্গামাটির পাহাড় আর কাপ্তাই হ্রদের স্বচ্ছ নীল জলরাশি- প্রকৃতির এই মোহনীয় রূপ চিরকালই ভ্রমণপিপাসুদের টানে। তবে এবারের ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে এই পর্যটন নগরীতে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন মাত্রা।

পাহাড় সমুদ্র ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ মার্চ ২০২৬, ১১:০১

Share

রাঙ্গামাটির পাহাড় আর কাপ্তাই হ্রদের স্বচ্ছ নীল জলরাশি- প্রকৃতির এই মোহনীয় রূপ চিরকালই ভ্রমণপিপাসুদের টানে। তবে এবারের ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে এই পর্যটন নগরীতে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন মাত্রা। দরজায় কড়া নাড়া ঈদকে বরণ করে নিতে কেবল সাধারণ মানুষই নয়, কোমর বেঁধে প্রস্তুত রাঙ্গামাটির পর্যটন খাত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

ঈদের ছুটিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটাতে বুকিংয়ের হিড়িক পড়েছে। পর্যটন সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, জেলার নামী-দামী হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোর প্রায় ৭০ শতাংশ বুকিং ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

সরেজমিনে রাঙ্গামাটির বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখা গেছে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ। রাঙ্গামাটির ‘সিম্বল’ খ্যাত ঝুলন্ত সেতুতে সংস্কার কাজ শেষে নতুন রঙের ছোঁয়া লেগেছে। হ্রদে ভ্রমণের জন্য বোটগুলোকে ঘষামাজা ও রঙ করে সারিবদ্ধভাবে ঘাটে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। স্থানীয় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী কোমর তাঁতের পোশাকের দোকানগুলোতেও উঠেছে নতুন নতুন ডিজাইনের সংগ্রহ।

বোট মালিক শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সামনে লম্বা ছুটি, প্রচুর পর্যটক আসবে বলে আশা করছি। তাই বোটগুলো মেরামত করে আমরা এখন সময়ের অপেক্ষায় আছি।’

ব্যবসায়ীদের মতে, ঈদের ছুটিতে রাঙ্গামাটিতে লক্ষাধিক পর্যটকের সমাগম ঘটতে পারে। শহরের হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে ইতোমধ্যে ৭০ শতাংশ বুকিং সম্পন্ন হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা শতভাগের কাছাকাছি।

মাজারী দ্বীপ রিসোর্টের পরিচালক রিকো খীসা বলেন, ‘আমাদের রিসোর্টসহ জেলার অধিকাংশ রিসোর্ট প্রায় শতভাগ বুকিং হয়ে গেছে। আমরা এখন অতিথিদের আপ্যায়নের অপেক্ষায় আছি।’

অন্যদিকে, স্থানীয় পোশাক ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম জানান, রমজান মাসে পর্যটক না থাকায় ব্যবসা কিছুটা মন্দা ছিল। তবে ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে নতুন নকশার পোশাকের মাধ্যমে সেই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য তাদের।

আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। রাঙ্গামাটি জোনের উপ-পরিদর্শক মো. শাহ্ আলম জানান, পর্যটকরা যাতে নির্বিঘ্নে সব স্পটে ঘুরতে পারেন, সেজন্য নিয়মিত টহলের পাশাপাশি ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ মোতায়েন থাকবে। এছাড়া সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারিও চালানো হবে।

সর্বশেষ :

আরও পড়ুন: