Home রাঙামাটি তারেক রহমানকে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমিতির অভিনন্দন বার্তা,পাহাড়ে শান্তি ও উন্নয়নের নতুন দিগন্তের আশা

তারেক রহমানকে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমিতির অভিনন্দন বার্তা,পাহাড়ে শান্তি ও উন্নয়নের নতুন দিগন্তের আশা

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। তারেক রহমানের অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয়তাবাদের দর্শনে পাহাড়ের প্রতিটি জাতিগোষ্ঠী তাদের সাংবিধানিক অধিকার ফিরে পাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

পাহাড় সমুদ্র ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৪৪

Share

পার্বত্য চট্টগ্রাম সমিতির বিজ্ঞপ্তি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের নিরঙ্কুশ বিজয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে ঢাকাস্থ পার্বত্য চট্টগ্রাম সমিতি। এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের নেতারা বলেন, এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং বৈষম্যহীন এক নতুন রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে ম্যান্ডেট দিয়েছেন।

সংগঠনের সভাপতি এ এইচ এম ফারুক, সিনিয়র সহ-সভাপতি মিতায়ন চাকমা এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে জানানো হয়, তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফার ওপর আস্থা রেখে পাহাড় ও সমতলের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে রায় দিয়েছেন। তাঁদের মতে, এই ফলাফল প্রমাণ করে দেশের মানুষ শান্তি, শৃঙ্খলা ও সুষম অধিকারের রাজনীতি চায়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। তারেক রহমানের অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয়তাবাদের দর্শনে পাহাড়ের প্রতিটি জাতিগোষ্ঠী তাদের সাংবিধানিক অধিকার ফিরে পাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-সহ জোটের সমমনা দলগুলির নির্বাচিত প্রতিনিধিদেরও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

পাহাড়ের তিনটি সংসদীয় আসনে জাতীয়তাবাদী শক্তির বিজয়ে বিশেষ শুভেচ্ছা জানানো হয় খাগড়াছড়ি থেকে নির্বাচিত আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁঞা, রাঙামাটি থেকে নির্বাচিত অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান এবং বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সাচিং প্রু জেরিকে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাঁদের বিজয় পাহাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসানের বার্তা বহন করছে।

সভাপতি এ এইচ এম ফারুক বলেন, এই তিন নেতার নেতৃত্ব আগামী দিনে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রশাসনিক সংস্কার ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাঁরা সংসদে পাহাড়ের মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

শুভেচ্ছাবার্তায় নতুন সরকারের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করা হয়েছে এবং পাহাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক ও ভূমি-সংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত সমাধানের দাবি জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ :

আরও পড়ুন: