শপথ গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নিজ এলাকায় ফিরে রাজর্ষিক সংবর্ধনা পেলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী। এসময় ‘সম্প্রীতির বান্দরবান’—এই বহুলচর্চিত বয়ান নিয়েই প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেন, দীর্ঘ বছর ধরে সম্প্রীতির কথা শোনা গেলেও বাস্তবতা ততটা সহজ নয়; বরং সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া প্রকৃত সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা কঠিন। একই সঙ্গে সরকারের বরাদ্দ সুষ্ঠু বণ্টনের মাধ্যমে বান্দরবানে বসবাসরত ১২টি জনগোষ্ঠীর ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকারও করেন তিনি।
রোববার দুপুরে শপথের পর নিজ এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয়দের উদ্যোগে তাকে রাজর্ষিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। স্থানীয় রাজার মাঠে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাচিং প্রু জেরী বলেন, “সম্প্রীতির বান্দরবান বলতে যত সহজ, বাস্তবতা অনেক কঠিন। আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, তাহলেই একটি সত্যিকারের সম্প্রীতির বান্দরবান গড়ে তোলা সম্ভব।”
তিনি আরও বলেন, সরকারের প্রাপ্ত বরাদ্দ সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ বণ্টনের মাধ্যমে জেলার সব সম্প্রদায়ের উন্নয়নে কাজ করা হবে। বান্দরবানে বসবাসরত ১২টি জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো ও কর্মসংস্থান খাতে সমান গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
রাজনৈতিক বক্তব্যে তিনি বলেন, ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, আর দলের চেয়ে দেশ বড়। রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমান বাংলাদেশের জন্য অমূল্য সম্পদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সবার আগে বাংলাদেশ—এই নীতিতেই আমাদের এগোতে হবে।” দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য।
এদিকে তার আগমন উপলক্ষে শহরের বিভিন্ন সড়কে নির্মাণ করা হয় শতাধিক তোরণ। রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান হাজারো মানুষ। নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়


