দুপুর গড়িয়ে গেলেও খুলেনি সরকারি দপ্তরের দরজা। বান্দরবানে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কার্যালয়ে গিয়ে দেখা গেল মূল ফটকে ঝুলছে তালা। সেবা নিতে এসে হতাশ হয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, স্বাস্থ্যখাত–সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কাজ ও তথ্যের জন্য মানুষ প্রায়ই স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কার্যালয়ে যান। কিন্তু অধিকাংশ সময়ই অফিসে এসে মূল ফটকে তালা ঝুলতে দেখেন। এতে প্রয়োজনীয় সেবা না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে অনেককে।
সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বান্দরবান স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কার্যালয়ের মূল ফটকে তালা ঝুলছে। পাশের একটি দপ্তরের কর্মচারীর মাধ্যমে ডাকাডাকি করলে কিছুক্ষণ পর ভেতর থেকে এক কর্মচারী এসে তালা খুলে দেন। পরে কার্যালয়ের ভেতরে কর্মকর্তা–কর্মচারীসহ তিনজনকে উপস্থিত দেখা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. সুমন ও হেলাল উদ্দীন বলেন, প্রয়োজনীয় কাজ নিয়ে তাঁরা কয়েকবার স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কার্যালয়ে গিয়েছেন। কিন্তু প্রতিবারই মূল ফটকে তালা ঝুলতে দেখে এবং যোগাযোগের কোনো ব্যবস্থা না পেয়ে ফিরে যেতে হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাশের একটি সরকারি দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তা–কর্মচারীরা নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকেন না। ফলে তাদের দপ্তরের নামে আসা অনেক চিঠিই এখানে দিয়ে যান বাহকরা।
বান্দরবান স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রৌফ মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে রাখার বিষয়টি স্বীকার করেন।
তিনি বলেন, কার্যালয়ে জনবল সংকট থাকায় এমনটা করা হয়েছে। জনবল বাড়ানোর জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি মূল ফটকে যোগাযোগের নম্বর টানানোর জন্য দোকানে প্রিন্ট করতে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে এ বিষয়ে কোনো দালিলিক প্রমাণ দেখাতে পারেননি।


