Home রাঙামাটি ক্রীড়ায় স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে জন্ম নেওয়া জোবেরা রহমান

ক্রীড়ায় স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে জন্ম নেওয়া জোবেরা রহমান

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় পুরস্কার স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে জন্ম নেওয়া দেশের টেবিল টেনিসের কিংবদন্তি খেলোয়াড় জোবেরা রহমান (লিনু)। ঘোষিত ওই তালিকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। 

পাহাড় সমুদ্র ডেস্ক

প্রকাশ : ৭ মার্চ ২০২৬, ১২:০৪

Share

টেবিল টেনিসের কিংবদন্তি খেলোয়াড় জোবেরা রহমান (লিনু)।

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় পুরস্কার স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে জন্ম নেওয়া দেশের টেবিল টেনিসের কিংবদন্তি খেলোয়াড় জোবেরা রহমান (লিনু)। ঘোষিত ওই তালিকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্ব মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ এ বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করে। স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রামের স্বর্ণপদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়ে থাকে।

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। ১৯৭৭ সাল থেকে সরকার প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার প্রদান করে আসছে। 

জোবেরা রহমান লিনু ১৯৬৫ সালের ৯ জুন কাপ্তাই বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের আবাসিক এলাকার সেকেন্ড হিলে জন্ম নেন।  তার বাবা শেখ আবদুর রহমান সেসময় কাপ্তাই পিডিবির সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তী তিনি পিডিবির সদস্য ( উৎপাদন)  হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন । তার মায়ের নাম আঁখি রহমান। লিনু কাপ্তাই পিডিবি স্কুলে পড়ালেখা করেন। পরবর্তীতে তার বাবার বদলিজনিত কারণে সিলেটে স্থানান্তরিত হন তিনি। 

সিলেটের শাহাজীবাজার অফিসার্স ক্লাবে বাবার অনুপ্রেরণায় মাত্র আট বছর বয়সে টেবিল টেনিস খেলা শুরু করেন লিনু। ১৯৭৭ সালে মাত্র ১২ বছর বয়সে প্রথমবার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হন। এরপর ১৯৭৯ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত মোট ১৬ বার জাতীয় মহিলা এককে চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশের টেবিল টেনিসে অনন্য এক রেকর্ড গড়েন লিনু।

এই অসাধারণ কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০২ সালে তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয় গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে। দীর্ঘ ১৮ বছর তিনি বিমান বাংলাদেশ স্পোর্টস ক্লাবের হয়ে খেলেছেন। টেবিল টেনিসে অবদানের জন্য ১৯৯৯ সালে তিনি জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার লাভ করেন।

সর্বশেষ :

আরও পড়ুন: