Home খাগড়াছড়ি রামগড়ে সরকারি মালামাল বুঝিয়ে দিতে বলায় হাসপাতালেই রক্তারক্তি, কাঠের স্কেলে মাথা ফাটালেন সহকর্মীর

রামগড়ে সরকারি মালামাল বুঝিয়ে দিতে বলায় হাসপাতালেই রক্তারক্তি, কাঠের স্কেলে মাথা ফাটালেন সহকর্মীর

জরুরি বিভাগের ইনচার্জ সরকারি মালামাল বুঝিয়ে দিতে বলেছিলেন। তাতেই ক্ষেপে গেলেন সহকর্মী। টেবিলের উপর রাখা কাঠের স্কেল তুলে নিয়ে সজোরে আঘাত — মাথা ফেটে রক্ত। আর এই ঘটনা ঘটল খোদ হাসপাতালেরই জরুরি বিভাগে।

পাহাড় সমুদ্র ডেস্ক

প্রকাশ : ৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫০

Share

বৃহস্পতিবার দুপুরে খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঘটে গেল এক অবিশ্বাস্য ঘটনা। যে হাসপাতালে মানুষ আসেন চিকিৎসা নিতে, সেখানেই রক্তাক্ত হলেন জরুরি বিভাগের ইনচার্জ — তাঁরই এক সহকর্মীর হাতে। ভুক্তভোগী মো. শফিকুল ইসলাম রামগড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল কর্মকর্তা এবং জরুরি বিভাগের ইনচার্জ। অভিযোগের তীর সহকর্মী বিজয় মজুমদারের দিকে।

যেভাবে ঘটল ঘটনা
এলপিসি অর্থাৎ লাস্ট পে সার্টিফিকেট সংগ্রহকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে শুরু হয় কথা-কাটাকাটি। একপর্যায়ে উত্তেজনা চরমে ওঠে। অভিযোগ, বিজয় মজুমদার টেবিলের উপর রাখা একটি কাঠের স্কেল তুলে নিয়ে শফিকুলের মাথায় সজোরে আঘাত করেন। মাথা ফেটে রক্ত ঝরতে থাকে। হাসপাতালেই তাঁকে জরুরি চিকিৎসা দিতে হয়।

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি মালামাল বুঝিয়ে দিতে বলায় আমার ওপর হামলা করা হয়েছে।’ রাত ১০টার দিকে তিনি রামগড় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেছেন, সহকর্মী বিজয় তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যেই আঘাত করেছেন।

অভিযুক্ত বলছেন ‘দুর্ঘটনা’, সংবাদ না করার অনুরোধও
অভিযুক্ত বিজয় মজুমদার অবশ্য পুরো ঘটনাকে ‘অসাবধানতাবশত দুর্ঘটনা’ বলে দাবি করেছেন। তাঁর দাবি, ‘আমরা বিষয়টি নিজেদের মধ্যে সমাধান করেছি।’ এমনকি এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করারও অনুরোধ জানান তিনি।

তদন্তের আশ্বাস পুলিশের
রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজির আলম জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বি এম মোজাম্মেল হক জানান, বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। হাসপাতালের নিয়ম মেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

সর্বশেষ :

আরও পড়ুন: