খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে পাহাড় কাটার অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। বুধবার সরেজমিন পরিদর্শন শেষে তদন্ত কমিটি জানিয়েছে, যে কারণেই পাহাড় কাটা হোক না কেন, এটি দণ্ডনীয় অপরাধ এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে গঠিত পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি বুধবার উপজেলার খাড়িছড়া, এয়াতলংপাড়া, মরাডলু, লেমুয়া, তিনটহরী ও বড়ডলু এলাকায় এক্সকাভেটর দিয়ে কাটা পাহাড়গুলো পরিদর্শন করে। কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. মোতাহার হোসেন।
তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. জমির হোসেন বলেন, ‘পাহাড় কাটার রিপোর্টের সত্যতা পেয়েছি। যে কারণেই পাহাড় কাটা হয়েছে, এটি দণ্ডনীয় অপরাধ। জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’
তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যে উপজেলা প্রশাসন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জেল-জরিমানা করেছে এবং পরিবেশ অধিদপ্তর একাধিক মামলা করেছে। কাটা পাহাড় আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয় — তবে এখন থেকে আর একটি পাহাড়ও যাতে কাটা না হয়, সেটি কঠোরভাবে নিশ্চিত করা হবে। সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। প্রতিবেদনে উপজেলা পর্যায়ে পাহাড় কাটা প্রতিরোধ কমিটি গঠনের সুপারিশও থাকবে।
উল্লেখ্য, গণমাধ্যমে’খাগড়াছড়িতে তিন মাসে আট পাহাড় বিলীন!’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। তাঁর নির্দেশে গত ৯ এপ্রিল পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল জরুরি সভা করেন এবং ওই দিনই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।


