তিন পার্বত্য জেলার সংরক্ষিত নারী আসনে দলের মনোনীত প্রার্থী মাধবী মার্মাকে থামাতে সরাসরি নির্বাচন ভবনে হাজির হলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক চন্দ্রা চাকমা। অভিযোগ — বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ না করেই মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন মাধবী মার্মা, যা আইনত অবৈধ। আপিল টিকলে দলের নিজের প্রার্থীর পথই বন্ধ হয়ে যাবে।
অভিযোগটা ঠিক কী?
চন্দ্রা চাকমা বলছেন, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের আইন অনুযায়ী, পদত্যাগ করতে হলে চেয়ারম্যানের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্র দিতে হবে। মাধবী মার্মা সেটা না করেই ২১ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ফলে তিনি একই সঙ্গে জেলা পরিষদ আইন এবং নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা— দুটোই লঙ্ঘন করেছেন।
মাধবী মার্মা কী বলছেন?
অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন মাধবী মার্মা। তাঁর দাবি, মনোনয়নপত্র জমার আগেই পদত্যাগ করেছেন এবং গত সপ্তাহেই তা অনুমোদন হয়ে গেছে। তাই আইনগতভাবে তাঁর প্রার্থিতায় কোনো বাধা নেই।
এখন কী হবে?
নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, ২৭ ও ২৮ এপ্রিল আপিল নিষ্পত্তি হবে। ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন, ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ এবং ভোট ১২ মে। সংরক্ষিত আসনে প্রার্থীরা সাধারণত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন— ফলে আপিলের রায়ই এখন নির্ধারণ করবে মাধবী মার্মার ভাগ্য।
সদ্য বিএনপিতে যোগ দিয়ে মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে তৃণমূলে যে ক্ষোভ ছিল, এবার তা প্রকাশ্য আইনি লড়াইয়ে রূপ নিল। দলের ঘরের আগুন এখন নির্বাচন কমিশনের দরজায়।


