ভোটের উত্তেজনা শেষ, এবার নজর নতুন মন্ত্রিসভায়। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি সংসদ সদস্যদের শপথের পর ১৮ ফেব্রুয়ারি গঠন হতে পারে নতুন মন্ত্রিসভা। রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে জোরালো আলোচনা।
তিন পার্বত্য জেলার বাসিন্দাদের অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের চেয়ে বেশি নজর পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে। এই মন্ত্রণালয়ে কে হবে মন্ত্রী আর কে প্রতিমন্ত্রী, সেই হিসাব মেলাতেই ব্যস্ত তারা।
রাজনৈতিক আলোচনায় শোনা যাচ্ছে, রাঙামাটি থেকে নির্বাচিত দীপেন দেওয়ান পেতে যাচ্ছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভার। আলোচনায় নাম উঠে এসেছে খাগড়াছড়ির ওয়াদুদ ভূঁইয়ারও। এছাড়া প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় আলোচনায় আছেন বান্দরবানের সাচিং প্রু জেরী। এসব আলোচনার নির্ভরযোগ্য কোন সূত্র পাওয়া না গেলেও তিন পার্বত্য জেলা থেকে একজন মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন তা অনেকটাই নিশ্চিত।
১৯৯৭ সালের শান্তি চুক্তির পর থেকে তিন পার্বত্য আসন থেকে সাধারণত দেয়া হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব। তবে এবার কার ভাগ্যে জুটছে এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব, এ নিয়ে তিন জেলায় চায়ের আড্ডায় আলোচনার ঝড় উঠেছে। তিন নেতার সমর্থকেরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চালাচ্ছেন প্রচারণাও।
পার্বত্য চুক্তির আলোকে ১৯৯৮ সালের ১৫ জুলাই গঠিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রতিষ্ঠাকালীন পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তৎকালীন খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য প্রয়াত কল্প রঞ্জন চাকমা। পরে ২০০১ সালে খালেদা জিয়ার তৃতীয় মন্ত্রিসভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হন রাঙ্গামাটির সাবেক সংসদ সদস্য মনি স্বপন দেওয়ান। পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় ঠাঁই হয় রাঙ্গামাটির দীপঙ্কর তালুকদার, বান্দরবানের বীর বাহাদুর, খাগড়াছড়ির কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা। সবশেষ এই মন্ত্রণালয়ে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন বীর বাহাদুর।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, নবীণ প্রবীণের সম্মিলনে নতুন মন্ত্রিসভা হবে। আর স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ নতুন মন্ত্রিসভা কেমন হবে তা দেখার জন্য অপেক্ষায় থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন গণমাধ্যমকর্মীদের।


