ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত যাতে নির্বিঘ্ন থাকে, তা নিশ্চিত করতে রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে হঠাৎ করেই হাজির পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। পরিদর্শন চলাকালীনই কড়া বার্তা—ঈদ উপলক্ষ্যে কৃত্রিম জ্বালানি সংকট সৃষ্টি করে জনভোগান্তি বাড়ানোর কোন সুযোগ দেওয়া হবে না।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে শহরের একাধিক পাম্পে সরেজমিনে ঘুরে দেখেন তিনি। জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে মন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যেই ১৫ মার্চ রাত ১১টা থেকে গণপরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি নজরদারিও জোরদার রয়েছে।
দীপেন দেওয়ান বলেন, “এই মুহূর্তে কোথাও জ্বালানির ঘাটতি নেই। কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে সংকট তৈরি করে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়াতে চান, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” যাত্রী ও পরিবহন চালকদের উদ্দেশে তিনি জানান, কোনও সমস্যায় পড়লে হেল্পলাইন ১৬১০৭ বা পুলিশ কন্ট্রোল রুমে দ্রুত অভিযোগ জানাতে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও রয়েছে সর্বক্ষণিক তৎপরতায়। পুলিশ ও র্যাবের কন্ট্রোল রুমের পাশাপাশি ভিজিল্যান্স টিম মাঠে সক্রিয়। প্রতিটি টার্মিনালে টাঙানো হয়েছে নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে সঙ্গে সঙ্গেই অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন মন্ত্রী।
ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বাস মালিক ও শ্রমিক সংগঠন সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি। পাম্প মালিকদের উদ্দেশে তাঁর স্পষ্ট বার্তা—অতিরিক্ত মুনাফার লোভে সাধারণ মানুষকে যেন কোনওভাবে হয়রানি না করা হয়।
এই আকস্মিক পরিদর্শনে মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর একান্ত সচিব রবীন্দ্র চাকমা, সহকারী একান্ত সচিব মো. আল আমিন এবং জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা।


