তেলের সংকট সামলাতে রাঙামাটির চারটি ফিলিং স্টেশনে ট্যাগ অফিসার বসানো হয়েছে। কিন্তু তিনটি পাম্পে গিয়ে তাঁদের কাউকে পাওয়া গেল না। ফোন করতেই শুরু হল অজুহাতের পালা। একজন বললেন অসুস্থ, তাই বেরোতে পারেননি। আরেকজন জানালেন, অফিসের কাজ ছিল, দুপুরের পর যাবেন। তৃতীয়জনের যুক্তি আরও চমকপ্রদ— ‘সেনাবাহিনী যেভাবে শৃঙ্খলায় কাজ করছে, তাতে আমাদের এত প্রয়োজন নেই।’ চতুর্থজন ফোনই ধরলেন না।
জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত সপ্তাহে তিন দিন অকটেন ও তিন দিন ডিজেল বিক্রি হবে। পাম্পগুলোতে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও মোতায়েন রয়েছে।
তদারকির জন্য পুরাতন বাসস্ট্যান্ড পাম্পে দায়িত্ব পেয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমি সুপারভাইজার রতন চাকমা, বনরুপা হিল ভিউ ফিলিং স্টেশনে খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা নিশান চাকমা, কল্যাণপুর তান্যাবি এন্টারপ্রাইজে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী সুব্রত বড়ুয়া এবং এস এস পেট্রোলিয়াম এজেন্সিতে সমবায় কর্মকর্তা শাক্য উজ্জ্বল চাকমা।
সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ কামরুল হোসেন অবশ্য বললেন ভিন্ন কথা। তাঁর দাবি, ট্যাগ অফিসাররা নিজ দপ্তরেরও কর্মকর্তা, তাঁদের সেখানেও কাজ থাকে। তিনি জানিয়েছেন, মোবাইল টিম, পুলিশ ও সেনাবাহিনী মাঠে আছেন। তবু ট্যাগ অফিসারদের ‘আবারও বলে দেওয়া হবে’ বলে আশ্বাস দিলেন তিনি।


