Home রাজনীতি মাধবী মারমার মনোনয়নে বান্দরবান বিএনপিতে ক্ষোভের আগুন, আওয়ামী সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ

মাধবী মারমার মনোনয়নে বান্দরবান বিএনপিতে ক্ষোভের আগুন, আওয়ামী সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ

পাহাড় সমুদ্র ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৮

Share

বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন, কিন্তু পিছু ছাড়ছে না অতীত। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে পার্বত্য অঞ্চল থেকে অ্যাডভোকেট মাধবী মারমাকে মনোনীত করার ঘোষণা আসতে না আসতেই বান্দরবান জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে সমালোচনার ঝড়। কেন্দ্রে রয়েছে একটাই প্রশ্ন— আওয়ামী আমলে যিনি সরকারের পক্ষে কাজ করেছেন, তাঁকে কেন বিএনপির মনোনয়ন?

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মাধবী মারমা ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আওয়ামী সরকারের আমলে ফৌজদারি মামলায় সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে ২০১৫ সালে আওয়ামী সরকার মনোনীত নোটারি পাবলিকের আইনজীবীও ছিলেন তিনি। দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয়তা ছিল না, পদ-পদবিও ছিল না। অথচ দলের দুঃসময়ে রাজপথে থেকে নির্যাতন সহ্য করা নেত্রীদের টপকে তিনিই পেলেন মনোনয়ন।

বান্দরবান শ্রমিক দলের প্রচার সম্পাদক জগদ্বীস বড়ুয়া বলেন, ‘মাধবী মারমা কোনো সময় দলের পক্ষে কাজ করেননি। নির্বাচনের সময় আসা-যাওয়া শুরু করেন। ত্যাগীদের মূল্যায়ন না হওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।’

সামাজিক মাধ্যমেও কটাক্ষের ঝড়। সিনথি ইয়া লিখেছেন, ‘আওয়ামী লীগের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মাধবী মারমা বিএনপির মহিলা এমপি হওয়ায় অভিনন্দন।’ জিয়া সাইবার ফোর্সের যুগ্ম-আহ্বায়ক লিখেছেন, ‘আওয়ামী আমলে এপিপি, অন্তর্বর্তীতে জেলা পরিষদ সদস্য, এখন বিএনপিতে সংরক্ষিত এমপি— মাধবী মারমা সত্যিই অসাধারণ মেধাবী!’

জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মুজিবুর রশিদ জানান, জেলার অধিকাংশ নেতাকর্মী ত্যাগী নেত্রী উম্মে কুলসুম সুলতানা লীনার পক্ষে ছিলেন। তিনি বলেন, মাধবী মারমার দলীয় পদ না থাকলেও মিটিং-মিছিলে উপস্থিত থাকতেন। দলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তের বাইরে আর কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

সোমবার (২০ এপ্রিল) নয়াপল্টনে সংবাদ সম্মেলনে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ৩৬ জনের তালিকা ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে মাধবী মারমার বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।

সর্বশেষ :

আরও পড়ুন: