পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলার সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাধবী মারমার পথ পরিষ্কার। তার প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক সায়রা চন্দ্রা চাকমার করা আপিল সোমবার খারিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার গেজেট প্রকাশের মধ্য দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ সদস্য হওয়ার পথে এগিয়ে গেলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের মধ্যে ৪৯টিতে আজ গেজেট প্রকাশ করছে নির্বাচন কমিশন। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনেও কোনো আবেদন না আসায় এসব প্রার্থী কার্যত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত।
গেজেট প্রকাশের পর নির্বাচিত সদস্যদের শপথের জন্য তা সংসদ সচিবালয়ে পাঠানো হবে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে।
বিতর্কটা শুরু হয়েছিল মনোনয়নপত্র জমার পর থেকেই। চন্দ্রা চাকমা অভিযোগ করেন, মাধবী মারমা বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য পদ থেকে যথাযথভাবে পদত্যাগ না করেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, যা আইনগতভাবে বৈধ নয়। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেন মাধবী মারমা। তিনি বলেন, ২০ এপ্রিলই তিনি পদত্যাগ করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।
অ্যাডভোকেট মাধবী মারমার বাড়ি রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায়। বৈবাহিক সূত্রে বান্দরবানের বাসিন্দা এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম সম্পন্ন করা এই আইনজীবী বান্দরবান জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।


