পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় রদবদল আসছে। খুব শিগগিরই পুনর্গঠন হচ্ছে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ। ভেঙে নতুন করে গড়া হবে শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স ও পার্বত্য উন্নয়ন বোর্ডও। এ লক্ষ্যে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে কাজ চলমান বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।
সোমবার (১১ মে) খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউসে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “খুব শিগগিরই তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স এবং পার্বত্য উন্নয়ন বোর্ড পুনর্গঠন করা হবে।”
এর আগে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতন হলে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা আত্মগোপনে চলে যান। পরিষদগুলো কার্যত অচল হয়ে পড়ে। দীর্ঘ তিন মাস পর ওই বছরের ৭ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন করে।
অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত সেই পরিষদে রাঙামাটিতে চেয়ারম্যান করা হয় কাজল তালুকদারকে। সদস্যপদে ছিলেন পাঁচজন চাকমা, দুজন মারমা, চারজন বাঙালি এবং ত্রিপুরা, পাংখুয়া ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায় থেকে একজন করে।
বান্দরবানে চেয়ারম্যান করা হয় শিক্ষাবিদ থানজামা লুসাইকে — যিনি ২০০৭-০৮ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেও একই পদে ছিলেন। সদস্যপদে ছিলেন চারজন মারমা, চারজন বাঙালিসহ ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, তঞ্চঙ্গ্যা, চাক ও বম সম্প্রদায় থেকে একজন করে। তবে চাকমা ও খেয়াং সম্প্রদায়কে বাদ দেওয়া নিয়ে সমালোচনা ওঠে।
খাগড়াছড়িতে প্রথমে জিরুনা ত্রিপুরাকে চেয়ারম্যান করা হলেও নানা বিতর্কের জেরে তাকে সরিয়ে শেফালিকা ত্রিপুরাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।


