Home চট্টগ্রাম কক্সবাজারে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৬ জন চমেক হাসপাতালে ভর্তি

কক্সবাজারে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৬ জন চমেক হাসপাতালে ভর্তি

কক্সবাজারের কলাতলী এলাকার ডলফিন মোড়ে ফিলিং স্টেশনের গ্যাস পাম্পে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ ৬ জনকে ভর্তি করা হয়েছে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

পাহাড় সমুদ্র ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৫১

Share

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

কক্সবাজারের কলাতলী এলাকার ডলফিন মোড়ে ফিলিং স্টেশনের গ্যাস পাম্পে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ ৬ জনকে ভর্তি করা হয়েছে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

তারা হলেন- আবু তাহের (৪০), সিরাজ (২৫), আব্দুর রহিম (৩৯), সাকিব (২২), মোতাহের (৪৫) ও আবুল কাশেম।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক বাংলানিউজকে জানান, কক্সবাজারে দগ্ধ ৬ জনকে হাসপাতালে আনার পর বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করানো হয়।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টা দিকে এন আলম এলপিজি ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণ হয়। এতে অন্তত ১৬ জন দগ্ধ হয়েছেন। আগুনে ফিলিং স্টেশনের পাশের একটি গ্যারেজে থাকা প্রায় ২০-২৫টি পর্যটকবাহী জিপ (চাঁদের গাড়ি) এবং ১০টি ঘর-বাড়ি পুড়ে গেছে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, স্টেশনের ১৪ হাজার লিটারের একটি গ্যাস ট্যাঙ্ক থেকে দীর্ঘ সময় ধরে নির্গত হওয়া গ্যাস লিকেজ থেকে এই বিস্ফোরণের সূত্রপাত।

চমেক হাসপাতাল বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. মো. রাশেদ উল করিম জানান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দগ্ধ ৬ জন পুরুষ রোগীর প্রত্যেকেরই শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এদের মধ্যে একজনের শরীরের ৯০ শতাংশ, একজনের ৫০ শতাংশ, একজনের ৪০ শতাংশ, একজনের ৩০ শতাংশ এবং বাকি দুইজনের ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তিনজনের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। গুরুতর দগ্ধ তিন রোগীকে দ্রুত আইসিইউতে স্থানান্তরের জন্য ইতিমধ্যে আইসিইউ বিভাগের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ‘এর মধ্যে ৫০ শতাংশ এবং ৯০ শতাংশ দগ্ধ দুই রোগীর জন্য ইতিমধ্যে আইসিইউতে বেড বরাদ্দ দিয়ে তাদের স্থানান্তর করা হয়েছে। বাকি রোগীদের অবস্থা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তাদেরও আইসিইউ সাপোর্টের আওতায় আনা হবে। জাতীয় গাইডলাইন অনুসরণ করেই সবার চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। যদিও এই বিভাগে দগ্ধ রোগীদের জন্য আলাদা কোনো ডেডিকেটেড আইসিইউ নেই, তবুও হাসপাতালের মূল আইসিইউতেই রোগীদের প্রয়োজনীয় সাপোর্ট দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। ফলে রোগীদের এই মুহূর্তে ঢাকায় স্থানান্তরের প্রয়োজন দেখছি না’।

সর্বশেষ :

আরও পড়ুন: