Home বিশেষ প্রতিবেদন কেমন হবে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, জানালেন পার্বত্যমন্ত্রী

কেমন হবে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, জানালেন পার্বত্যমন্ত্রী

৫ আগস্টের পর থেকে কার্যত অচল পার্বত্য জেলা পরিষদগুলো অন্তর্বর্তী সরকার পুনর্গঠন করেছিল বটে — তবে সেই পরিষদ নিয়েও বিতর্ক থামেনি। বান্দরবানে চাকমা-খেয়াং সম্প্রদায়কে বাদ দেওয়ার অভিযোগ, খাগড়াছড়িতে চেয়ারম্যানের দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা — অস্থিরতা পিছু ছাড়েনি।

পাহাড় সমুদ্র ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৬, ১২:৪৮

Share

৫ আগস্টের পর থেকে কার্যত অচল পার্বত্য জেলা পরিষদগুলো অন্তর্বর্তী সরকার পুনর্গঠন করেছিল বটে — তবে সেই পরিষদ নিয়েও বিতর্ক থামেনি। বান্দরবানে চাকমা-খেয়াং সম্প্রদায়কে বাদ দেওয়ার অভিযোগ, খাগড়াছড়িতে চেয়ারম্যানের দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা — অস্থিরতা পিছু ছাড়েনি।

নতুন সরকার গঠনের পর সেই পরিষদগুলোই আবার ঢেলে সাজানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। এবার তিনি খোলামেলা জানালেন কেমন হবে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ। সব জাতিসত্তার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করেই গঠন হবে — অন্তর্বর্তীকালীন আইনের বিধান মেনে।

শনিবার রাঙামাটিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, অন্তর্বর্তীকালীন আইনের বিধান মেনে শিগগিরই পুনর্গঠন করা হবে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ — এবং সেখানে সব জাতিসত্তা ও জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, ‘পুরো বিষয়টি এখন প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। এটি একটি বড় প্রক্রিয়া। তাই এখানে কোনো ধরনের ভুল হতে দেওয়া যাবে না। খুব সতর্কতার সঙ্গে আমাদের এগোতে হচ্ছে।’

শনিবার রাঙামাটি শহরের রাঙাপানি এলাকার মোনঘর আবাসিক বিদ্যালয়ে ‘কুমন লার্নিং সেন্টার’ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

এর আগে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতন হলে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা আত্মগোপনে চলে যান। পরিষদগুলো কার্যত অচল হয়ে পড়ে। দীর্ঘ তিন মাস পর ওই বছরের ৭ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন করে।

অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত সেই পরিষদে রাঙামাটিতে চেয়ারম্যান করা হয় কাজল তালুকদারকে। সদস্যপদে ছিলেন পাঁচজন চাকমা, দুজন মারমা, চারজন বাঙালি এবং ত্রিপুরা, পাংখুয়া ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায় থেকে একজন করে।

বান্দরবানে চেয়ারম্যান করা হয় শিক্ষাবিদ থানজামা লুসাইকে — যিনি ২০০৭-০৮ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেও একই পদে ছিলেন। সদস্যপদে ছিলেন চারজন মারমা, চারজন বাঙালিসহ ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, তঞ্চঙ্গ্যা, চাক ও বম সম্প্রদায় থেকে একজন করে। তবে চাকমা ও খেয়াং সম্প্রদায়কে বাদ দেওয়া নিয়ে সমালোচনা ওঠে।

খাগড়াছড়িতে প্রথমে জিরুনা ত্রিপুরাকে চেয়ারম্যান করা হলেও নানা বিতর্কের জেরে তাকে সরিয়ে শেফালিকা ত্রিপুরাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

সর্বশেষ :

আরও পড়ুন: